বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

যে কারণে সাইবার অপরাধের মামলা বেশিরভাগ প্রমাণ করা যায় না

তথ্য প্রযুক্তির এই সময়ে দিন যত যাচ্ছে, সাইবার অপরাধ তত বাড়ছে। একইসঙ্গে বাড়ছে মামলার সংখ্যাও। মামলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে নিষ্পত্তির সংখ্যা খুবই কম। তারপরও পুলিশ ও সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, কিছু সমস্যা ও জটিলতার পরও সাইবার  ট্রাইব্যুনালে যত দ্রুত ও যত বেশি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং হচ্ছে, সেটা অন্য আদালতের তুলনায় বলা যায় রেকর্ড। সাক্ষীদের উপস্থিতিও অন্যান্য মামলার চেয়ে সন্তোষজনক। এছাড়া মাত্র কয়েকমাস আগে নিজস্ব এজলাস পেয়েছে সাইবার  ট্রাইব্যুনাল। এর আগে অন্য আদালতের বিচার কাজ শেষে  ট্রাইব্যুনালের কাজ চালানো হয়েছে। সে কারণেও মামলা নিষ্পত্তিতে শুরুর দিকে কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তদন্তের দুর্বলতাসহ বিভিন্ন জটিলতার পাশাপাশি চুক্তি না থাকায়, ফেসবুকের আর্কাইভ থেকে কোনও তথ্য সংগ্রহ করা যায় না। যে কারণে সাইবার অপরাধের অনেক মামলা প্রমাণ করা সম্ভব হয় না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৩ সালে সাইবার  ট্রাইব্যুনাল গঠন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের হওয়া দুই হাজারের বেশি মামলা বিচারের জন্য  এসেছে ট্রাইব্যুনালে। এরমধ্যে প্রথম বছর ২০১৩ সালে মামলা হয়েছিল মাত্র তিনটি। ২০১৪ সালে ৩৩টি, ২০১৫ সালে ১৫২টি, ২০১৬ সালে ২৩৩টি, ২০১৭ সালে ৫৬৮টি, ২০১৮ সালে ৬৭৬টি, ২০১৯ সালে ৭২১টি এবং ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এসেছে ২৫৬টি মামলা। এসব মামলার মধ্যে রায় হয়েছে মাত্র ১২৪টির। এর মধ্যে সাজা হয়েছে মাত্র ৩৫টি মামলায়৷ নিষ্পত্তি করা হয়েছে প্রায় এক হাজার ১০০ মামলা৷ বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দুই হাজার ২০০টির মতো। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮৯টি মামলায় আসামিরা খালাস পেয়েছেন। এছাড়া অভিযোগ গঠনের শুনানির সময়েও তথ্য-উপাত্ত না থাকায় মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন ২ শতাধিক মামলার আসামিরা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com